রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন

সুপারি উদ্ধারের সাথে জৈন্তাপুরের নুরুজ্জামানের কোনো সম্পৃক্ততা নেই

সুপারি উদ্ধারের সাথে জৈন্তাপুরের নুরুজ্জামানের কোনো সম্পৃক্ততা নেই

সীমান্ত প্রতিনিধি :
চট্টগ্রাম থেকে ট্রাকে সুপারি নিয়ে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল সিলেটের কাজীর বাজারে। কিন্তু ট্রাক ড্রাইভার চোরাকারবারীদের সাথে আতাঁত করে জৈন্তাপুরেরে ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়ে বিক্রি করে দেয়। পরে চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানা ও জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের টানা অভিযানে বৃহস্পতিবার রাতে সিলেটের জৈন্তাপুর ও শুক্রবার রাতে কানাইঘাট এলাকা থেকে এসব সুপারি উদ্ধার হয়েছে। যার সঙ্গে জড়িত আছে ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের চালক, মালিক ও ভাড়ার মধ্যস্ততাকারীরা। এদিকে উদ্ধার হওয়া ৮০ লাখ টাকা মূল্যের দুইশত বস্তা সুপারির সাথে কোনো যোগসাজশ বা সম্পৃক্ততা নেই মর্মে প্রতিবাদ জানিয়েছেন জৈন্তাপুর উপজেলার মানিকপাড়া গ্রামের কুতুব উদ্দীনের ছেলে ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও দৈনিন জৈন্তা বার্তা স্থানীয় কয়েকটি অনলাইনে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদলিপিতে নুরুজ্জামান উল্লেখ করেন- সম্প্রতি জৈন্তাপুরে চট্টগ্রামের ১ ট্রাক সুপারী উদ্ধার নিয়ে আমাকে জড়িয়ে ফেসবুক ও জৈন্তা বার্তায় যা প্রচার হয়েছে তা আদৌ সঠিক নয়। যে বা যারা এসব মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রচার করেছেন আমি তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একটি কুচক্রী মহল আমাকে জড়িয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেইক আইডির মাধ্যমে ও পত্র-পত্রিকায় এসব অপপ্রচার করেছেন। উক্ত সুপারী ছিনতাইয়ের সাথে আমার ন্যূনতম কোনো সম্পর্ক নাই।

যার প্রমাণ সুপারী উদ্ধার অভিযানে চট্টগ্রাম ও সিলেটের জৈন্তাপুর থানা পুলিশ প্রশাসন আমার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা পায়নি। উদ্ধার অভিযান শেষে মামলার এজাহার ও এফআইআর-এ আমার কোনো নাম নেই। পূর্ব শত্রæতার জের ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাকে জড়িয়ে জৈন্তাপুরের ব্যবসায়ী দুলাল অপপ্রচার করেছেন। আমি এর নিন্দা জানাচ্ছি।

এক প্রশ্নের জবাবে নুরুজ্জামান দৈনিক সিলেট সীমান্ত কাছে আরো বলেন- আমার পিতা মো. কুতুব উদ্দিন একজন পুরাতন গাড়ী ব্যবসায়ী। আমার বাবার হাতে গড়া ব্যবসা পরিচালনা করে আমি বর্তমানে বৈধভাবে এলসি’র মাধ্যমে তামাবিলের একজন প্রতিষ্ঠিত পাথর ব্যবসায়ী। চোরাকারবারের সাথে আমার কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই। আমার আনিকা এন্টারপ্রাইজ নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যথারীতি ব্যবসা সংক্রান্ত সরকারি সকল অনুমোদন নিয়ে আইআরসি ও টিন সার্টিফিকেটের মাধ্যমে সরকারের ট্যাক্স দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। একটি মহল উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে আমাকে সমাজে হেয় করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ও পত্র-পত্রিকায় মিথ্যা অপপ্রচার করেছেন। মিথ্যা অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সকল মহলের প্রতি অনুরোধ করছি। অন্যথায় আমি আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবো।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

  • © All rights reserved © 2021 sylhetshimanto.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com